যুক্তরাষ্ট্রে কনটেইনারভিত্তিক আমদানিতে কমেছে চীনের হিস্যা

যুক্তরাষ্ট্রে গত মাসে কনটেইনারভিত্তিক পণ্যের আমদানি ২০২৪ সালের আগস্টের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে গত মাসে কনটেইনারভিত্তিক পণ্যের আমদানি ২০২৪ সালের আগস্টের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে চীনসহ প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলো থেকে আমদানি কমেছে। এর কারণ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাপ্লাই চেইন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডিসকার্টেস এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।

গত মাসে মার্কিন সমুদ্রবন্দরগুলো ২৫ লাখ টিইইউ (২০ ফুট সমমানের কনটেইনার) পণ্য আনলোড করেছে। তবে তা আগের মাস জুলাইয়ের রেকর্ড ২৬ লাখ টিইইউর তুলনায় কিছুটা কম। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) দেশটিতে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কনটেইনারভিত্তিক আমদানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

শুধু চীন থেকেই আগস্টে ৮ লাখ ৬৯ হাজার টিইইউ পণ্য এসেছে, যা মোট আমদানির ৩৫ শতাংশ। তবে এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৮ শতাংশ কম। এ পতনের কারণ অ্যালুমিনিয়াম পণ্য, পোশাক ও জুতার আমদানি হ্রাস।

ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কনীতির কারণে গত মাসে চীনের অংশীদারত্ব কমলেও ভিয়েতনাম, ভারত, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোর বাজার হিস্যা বেড়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও চীন নভেম্বর পর্যন্ত সম্ভাব্য শাস্তিমূলক শুল্কে সাময়িক বিরতি দিয়েছে, তবে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

সম্প্রতি রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনা নিরুৎসাহিত করতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এতে ওয়ালমার্টের মতো পোশাক আমদানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বছরের বাকি সময়ে বাণিজ্য অস্থিরতা, দেশীয় উৎপাদন হ্রাস ও মূল্যস্ফীতিতে ভোক্তাদের খরচ কমে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে এখন মার্কিন শিল্প খাতগুলো উদ্বিগ্ন। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কনটেইনার আমদানির সর্বোচ্চ সীমা জুলাইতেই ছুঁয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে মার্কিন আপিল আদালত গত মাসে রায় দিয়েছেন, ট্রাম্প আরোপিত বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ। তবে আপিল প্রক্রিয়ার সুযোগ দিতে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত এসব শুল্ক বহাল থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসন চাইলে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে নিতে পারবে।

আরও